
অ্যাড. কোরবান আলী: ২৩ জুন সন্ধ্যায় হঠাৎ সহকর্মীর ফোন। বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের আহবায়ক খন্দকার নাসিরুল ইসলাম থানায় নবাগত ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে দেখা করবেন। আহবায়ক কমিটির সদস্যদের থাকতে বলেছেন। রাত সাড়ে ৯টায় আমরা দেখা করলাম ওসি সাহেবের সাথে। খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বললেন, আমরা ফুল নিয়ে আসিনি। যদি আপনি ভালো কিছু করতে পারেন, এলাকার মজলুম নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকেন, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকেন, টাউট দালাল বাটপারদের থেকে দূরে থাকেন, আপনার সমস্ত ভালো কাজে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। থানার সামনে চায়ের দোকানে এক শ্রেণির টাউট, দালাল, দিনরাত ঘুর ঘুর করতে থাকে। থানায় আগত লোকদের কতিপয় পুলিশ সদস্যদের যোগসাজশে নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। ওসি সাহেব বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিয়েছি। সবাইকে ডেকে বলে দিয়েছি, অভিযোগকারীরা সরাসরি আমার কাছে আসবে। অভিযোগ শুনে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিবো। কোনো দালাল বাটপারদের প্রয়োজন হবে না। আমার একার পক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। আপনাদের সহযোগিতা আমার একান্ত কাম্য। আমরাও কথা দিলাম, আপনাদের ভালো কাজের সাথে ছিলাম, বর্তমানেও আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো। যাবার বেলায় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আপনাকে যেনো ফুল দিয়ে বিদায় জানাতে পারি। হঠাৎ বিদ্যুৎ বিদায় নিলো, আমরাও ওসি সাহের কক্ষ থেকে বিদায় নিলাম। তখন রাত ১০ টা ৫ মিনিট। মাত্র ৩৫ মিনিটের আলাপ চারিতায় যা বুঝলাম, ওসি সাহেবের ভালো কিছু করার ইচ্ছা আছে। বাকিটা দেখার বিষয়, লেখারও বিষয়।