
বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িঘর পরিদর্শন করেন ফরিদপুর ১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম সমর্থিত নবাগত এমপি প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া ও পরমেশ্বরদী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ বসতবাড়ি পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় ফরিদপুর ১ আসনের নবাগত এমপি প্রফেসর ড. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা আমাদের কাম্য নয়। আমরা এই নির্বাচনী আসনকে শান্তিপূর্ণ করতে চাই। যাতে মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। সহিংসতার খবর পেয়ে আমি সাথে সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেছি। তাদের সক্রিয়তার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হয়েছে। এ অঞ্চলের দ্বন্দ্ব সংঘাত নিরসনে আমরা উভয়পক্ষকে সহনশীল হতে বলবো। যদি তা না হয় তাহলে এলাকার মানুষকে শান্তিতে রাখতে আমরা কঠোর অবস্থানে যাবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-১ আসনের নির্বাচনী সদস্য সচিব মাওঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, বোয়ালমারী উপজেলা জামায়াতের আমীর হা. মাও. বিলাল হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো. কামাল উদ্দিন, বোয়ালমারী পৌরসভা আমীর মাও. সৈয়দ নিয়ামুল হাসান, পৌরসভা সেক্রেটারী হা. মাও. সৈয়দ সাজ্জাদ আলী, পৌরসভা কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য মাওঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি মুশফিকুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা
উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের মুশফিক বিল্লাহ জিহাদের সমর্থকগণ ও
পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ৩টি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় মসজিদসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাউন্ড বোমা ও রাবার বুলেট ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।