
বার্তা ডেস্ক: বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের খরসুতি গ্রামের সেই খ্রিষ্টান পরিবারটির পাশে দাঁড়ালেন সুমন রাফি। দুঃখ দুর্দশা কে নিত্য সঙ্গী বানিয়ে মানবেতর জীবন যাপন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পরিবারটির খোঁজ খবর নেন ও তাদের পাশে দাঁড়ান তিনি। তিন যুগের অধিক সময় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করলেও ভাগ্য ফিরেনি পরিবারটির। খ্রিস্টান মিশনারীর একটি জায়গায় বসবাস করলেও দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে কখনো অনাহারে, কখনো অর্ধাহারে থাকে এই পরিবারের অধিকাংশ সদস্য। পরিবারটির প্রধান কাঙ্গাল কর্মকার মারা গেছে প্রায় আট (৮) বছর আগে। তার স্ত্রী রাজলক্ষ্মী কর্মকার এখন পরিবারটির প্রধান। এই দম্পতির রয়েছে সাত (৭) ছেলেমেয়ে, যার মধ্যে রয়েছে চার ছেলে ও তিন মেয়ে। অধিকাংশ ছেলেমেয়েই থাকে দূরে, রাজলক্ষ্মীর খোঁজ খবর রাখে না। দুই ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতিনাতনি নিয়ে তার সংসার। জরাজীর্ণ ঘর একটু বাতাসে দোল খেয়ে ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। বড়দিন উপলক্ষে পরিবারটির জন্য নতুন কাপড়, মুরগী, কাঁচা বাজার ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তাদের কাছে পৌঁছে দেন সুমন রাফি এবং ভবিষ্যতে পরিবারটির পাশে থাকবেন বলে জানান। এই বিষয়ে দেশ রূপান্তর পত্রিকার বোয়ালমারী প্রতিনিধি দীপঙ্কর পোদ্দার অপু জানান, সুমন রাফির সহযোগিতা পেয়ে রাজলক্ষ্মী কর্মকার বেশ আনন্দিত ও পরিবারের বেশ উপকার হয়েছে। তার এই ধরনের মানবিক কাজ সমাজের অন্যান্য মানুষের জন্য উৎসাহ অনুপ্রেরণার। সুমন রাফি জানান, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে থাকবো ।