1. boalmari@gmail.com : Korban Ali : Korban Ali
  2. boalmaribartabd@gmail.com : administrator : Hasan Mahmud Milu
  3. boalmaribarta@gmail.com : Kurban Ali : Kurban Ali
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

আমরা একটু মানবিক হই

  • Update Time : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ Time View

অ্যাড. কোরবান আলী: ২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে বোয়ালমারী স্টেডিয়ামে ৪৮ দলীয় মিনি ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা ছিল বার্তা স্পোর্টিং ক্লাবের। হঠাৎ একটি দল না আসায় হাজারও দর্শকদের অনুরোধে তাৎক্ষণিক একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়। ২৫ মিনিট খেলার পর বার্তা স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়ার পৌরসভার চতুল গ্রামের জুবায়ের পা ভেঙে যায়। খেলোয়ার শিক্ষক রইস উদ্দিন কাধে করে মোটরসাইকেল যোগে তাকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে অত্যন্ত মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন চৌকস বোয়ালমারীর সার্বিক উন্নয়নে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রকিবুল হাসান এবং কর্মঠ ন্যায়নিষ্ঠ সুদক্ষ সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ আমাকে জানান, আহত জুবায়ের এর সুুচিকিৎসা করতে হবে। আমরা সহযোগিতা করবো।
আল আমিন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক্সরে করে মিম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঢাকা থেকে আগত অর্থোপেডিক্স ডাক্তার সুমন সেনকে দেখানো হয়। তিনি জানান, ভাঙ্গা হাড়ের মাঝে মাংস ঢুকে গেছে। ঢাকায় নিয়ে সার্জারি করতে হবে। ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হবে। আপাতত পায়ে প্লাষ্টার করে দিচ্ছি। দুই সপ্তাহ দেখতে হবে, ভালো না হলে অবশ্যই অপারেশন করতে হবে। সেখানে উপস্থিত সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইমরান হোসাইন তাৎক্ষণিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ঔষুধের ব্যবস্থা করে দেন। পাশে থাকা বার্তা স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়ার ও সদস্যরা যার যতটুকু সামর্থ্য ততটুকু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ডা. সাহেব ৩৫ মিনিট শ্রম দিয়ে প্লাস্টার করে। প্লাস্টার ও ভিজিট বাবদ ৩ হাজার টাকা ডিমান্ড করেন। ডাক্তার সাহেবকে জানানো হলো ছেলেটি অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান। সবেমাত্র বিয়ে করেছে। একটি শিশু সন্তানও রয়েছে তার। বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানসহ ৫ জনের এ পরিবারে নিয়ে নিদারুণ অর্থকষ্টে আছে। ছোটবেলা থেকে ফুটবল খেলার নেশায় অন্য কোনো পেশায় যেতে পারেনি সে। মফস্বলে এ পেশার যে কি হাল তা আমরা সবাই জানি। আশপাশের মাঠগুলোতে খেলে যে অর্থ পায় তা দিয়েই চলে তার সংসার। বাকি সময় কাটে অন্যের ক্ষেতে কাজ করে। এখন তার এই অবস্থা। একটু মানবিক হওয়া যায় কি না? শেষমেশ ডাক্তার সাহেবকে দেয়া হলো ১ হাজার টাকা। কয়েকটি এক্সরে রিপোর্টের টাকা নেয়নি আল আমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জুবায়েরের পা ভালো হলে, ভালো। অন্যথায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আসুন জুবায়ের ও তার পরিবারের প্রতি সদয় এবং মানবিক হই। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। সে যেনো দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসে খেলার মাঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Design & Development by : JM IT SOLUTION