1. boalmari@gmail.com : Korban Ali : Korban Ali
  2. boalmaribartabd@gmail.com : administrator : Hasan Mahmud Milu
  3. boalmaribarta@gmail.com : Kurban Ali : Kurban Ali
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

আলফাডাঙ্গায় যুবসমাজের হাতে মাদক কারবারি আটক! মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিলেন বিএনপি নেতা হাসিব

  • Update Time : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি: মাদক বেচাকেনার সময় যুবসমাজ হাতে নাতে আটক করলো দুই মাদক কারবারিকে। এসময় থানায় দেওয়ার কথা বলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর হাসান হাসিব।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ড নওয়াপাড়া গ্রামে।
এলাকাসুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টারদিকে পৌর সভার নওয়াপাড়া গ্রামে লিবাটি ক্যামিকেল ফ্যাকটারীর সামনে মাদক ব্যবসায়ী সরোয়ার কাজী পুত্র সোহাগ কাজী দুই পিচ ইয়াবা বিক্রিয় করে একই গ্রামের সাইফারের পুত্র পারভেজ এর কাছে। এ সময় এলাকার ২০/২২জন যুবক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে দুইজনকে ২পিচ ইয়াবাসহ আটক করে।
নওয়াপাড়া গ্রামে যুবক আমীর হামজা ও শাকিল বলেন, আমরা যুবসমাজ ঐ দুই মাদক কারবারীকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরী, এ সময় আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর হাসান হাসিব ভাই থানায় দেওয়ার কথা বলে মাইক্রো গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে আমরা থানায় খোজ নিয়ে জানতে পারি থানায় না দিয়ে হাসিব ভাই মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন।

এ ঘটনায় গ্রামবাসী পক্ষে একরামুল হক ও মফিজুর বলেন, গ্রামের যুবসমাজ ঐ দুই মাদক কারবারীকে হাতেনাতে ধরলে বিএনপির হাসিব থানায় দেওয়ার কথা বলে ছেড়ে দিয়েছে, তাই আজ শুক্রবার জুম্মা নামাজ পড়ে দারোগা বাড়ি জামে মসজিদে মাদক কারবারি কে ছেড়ে দেওয়ায় গ্রামবাসীর কাছে হাসিব এর বিচারের দাবী করেছে যুবসমাজ।
এ সময় গ্রামের গর্ণমান্যব্যক্তি রফিক হোসেন তালুকদার, সেলিম রেজা, রউফ তালুকদার সহ কয়েকজন বলেন, যুবক ছেলেদের এধরণের কাজকে সাধুবাদ জানাই এবং হাসিব এর সাথে কথা বলে বিষয় টি সমাধান করা হবে।
আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর হাসান হাসিব বলেন, আমি ফ্যাকটারির মধ্যে থেকে শোরশব্দ শুনে বাহিরে এসে দেখি ছেলেরা দুইজনকে মারধর করছে, তখন আমি মারধর থামিয়ে ওসিকে ফোন করি,ওসি সাহেব বলেন,যেহেতু তাদের মারধর করেছে আগে হাসপাতালে ভর্তি করেন অথবা এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলেন। আমি গাড়িতে করে থানার সামনে নিয়ে ওসিকে আবার ফোন কিলে তিনি একই কথা বলেন,এসময় ওরা দুই জন আমার কাছে ক্ষমা চায় এবং বলে আর তারা এ ধরণের কাজ করবেনা বলে মুচলেকা দেন এবং আমি তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেই। এ ঘটনায় জড়িত দুই মাদক কারবারিকে পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ ফকির তাইজুল ইসলাম বলেন,আমাকে হাসিব ভাই ফোন করেছিলেন, আমি মারধরের কথা শুনে হাসপাতালে ভর্তি করতে বলেছি এবং সাথে সাথে থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পাঠিয়েছি, সকালে গ্রামের যুবকরা থানায় এসেছিল,আমি বলেছি থানায় কাউকে দেওয়া হয় নাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Design & Development by : JM IT SOLUTION