
অসহায় বিধবার সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে প্রানঘাতী সন্ত্রাসী হামলা, হত্যাচেষ্টা, ধর্ষনচেষ্টা, ল্যুঠপাট, বসতঘর জবর দখল ও ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগ ও প্রান বাঁচাতে,
সংবাদ সম্মেলন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট বিচার প্রার্থনা।
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা। আপনাদের অধিক মূল্যবান সময় ব্যয় করে, বহুদলীয় ফ্যাসিস্ট দ্বারা অমানবিক, নির্মম নির্যাতনের শিকার এক অসহায় বিধবা পরিবারের আহবানে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা যারপরনাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, মহান আল্লাহ’র দরবারে জানাই অগনিত শুকরিয়া। প্রিয় ভাইয়েরা আমার, আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন এক বহুদলীয় ফ্যাসিস্ট ও তার পরিবারের ব্যাক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা, হিংসা ও বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে গত ১৪ মার্চ আমার ও আমার পরিবার উপর ঘটানো হয় এক ভয়াবহ, নৃশংস, অমানবিক, নির্মম, হিংসাত্মক এক ঘৃন্য হত্যাচেষ্টার ঘটনা। ইতিপূর্বেও আমরা নানান সময়ে নানান ভাবে একাধিক বার আমরা তাদের প্রতারণা, হিংসা, বিদ্বেষ এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছি। প্রিয় সহমর্মি ভাইয়েরা,
এই নির্যাতনকারী আমার সহোদর ভাই। আমি পরিবারের বড় সন্তান এবং সংসার প্রধানছিলাম। আমার মা পাগল হওয়ায় আমার পিতা আমাকে বিবাহ দেবার পরেও নিজের কাছেই রেখে দেন যেন আমি আমার ছোট ছোট তিনটি ভাইবোনকে মানুষ করতে পারি এবং সংসারের দেখাশোনা করতে পারি। আমার স্বামী ব্যাবসা করতেন এবং আমার পিতৃ-সংসারের দেখভালের দ্বায়িত্ব তার উপর-ই পড়ে, যেহেতু আমার ভাই অনেক ছোট ছিল। এই অবস্থায় ১৯৮২ সালের দিকে আমার স্বামী এক সড়ক দূর্ঘটনায় পরলোকগত হন। তখন আমার পাগল মা, আমার ছোট তিনটি ভাইবোন এবং আমার দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে সংসার পরিচালনায় আমি হিমশিম খেতে থাকি। যেহেতু আমার চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকুরী পিতার ক্ষুদ্র আয়, তিনি জমি বন্ধক দিয়ে এবং পরবর্তীতে দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন। ক্ষুদ্র আয়ের পিতাকে সাহায্যার্থে ১৯৮৩ সালে আমি ঢাকা যাই প্রথমে একটি গার্মেন্টসে এবং পরবর্তীতে একটা বায়িং হাউজে চাকরি নেই।
আমার পিতার বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করি, চড়া সুদের লোন পরিশোধ করি এবং সংসার পরিচালনায় সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করে পিতাকে সাহায্য করি। ইতিমধ্যে আমার ভাই গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে এবং আমার অন্য দুই বোনও আমার সন্তানসহ পড়াশোনা চালিয়ে যায়। ৯০ সালে আমার পিতা মারা যান। সংসার নিয়ে আমি অথৈ সাগরে পড়ি। পিতা মারা যাওয়ার পরে আমার ভাইটি বখে যায়। আমার পিতার পেনশনের সকল টাকা উঠিয়ে সে আত্মসাৎ করে। মানুষ আমাকে সতর্ক করলেও পিতার প্রতি আমার টান এবং ভাইয়ের প্রতি আমার মাতৃস্নেহ ও অগাধ ভালোবাসার কারনে আমি তার প্রতি আস্থা রাখি। ইতিমধ্যেই আমার ছোট দুই বোনের পড়াশোনা শেষ করাই। আমার মেজোবোনের বিয়ে দেই, ছোটবোনের বিয়ে বাবা মারা যাবার আগেই সম্পন্ন হয় এবং ৯১তে তার স্বামীও মারা যায়। ৯২ এর ভূমি রেকর্ডের সময়ে পিতার সকল সম্পত্তি আমাদের সকলের নামে রেকর্ডের সকল খরচ আমি ঢাকা থেকে পাঠালেও আমার ভাই আমাদের ৯৫ ভাগ সম্পদ নিজের নামে রেকর্ড করিয়ে নেয় যা আমরা জানতে পারি প্রায় ত্রিশ বছর পরে। ৯৪ সালের দিকে আমি আমার ছেলেকে এবং স্থানীয় মুরুব্বিদেরকে আমার ভাইয়ের জন্য পাত্রী দেখতে বলি। আমার কলেজ পড়ুয়া ছেলে আমাকে জানায় যে, মামা বেকার তাই কেউ মেয়ে দিতে রাজি নয়। আমি আমার ভাইকে ও ছেলেকে ব্যাবসায়ের জন্য একটি ফার্মেসী দোকান দেখতে বলি এবং ফার্মেসি ব্যাবসা শুরু করে দেই। আমার ভাইয়ের বিয়ে দেই। এরপর থেকেই আস্তে আস্তে শুরু হতে থাকে আমার সন্তানদের উপর নির্মম নির্যাতন। আমি ঢাকায় চাকরিরত অবস্থায় আমার ছেলে একাধিকবার বললেও আমি পাত্তা দেইনি। পুত্র স্নেহ দিয়ে পালন করা আমার ভাইয়ের উপর আস্থা রেখেছি। ৯৭/৯৮ সালের দিকে আমার ফার্মেসী বন্ধ হয়ে যায় এবং আমি বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করি।২০১২ সালের দিকে আমার চাকরির জমানো টাকা দিয়ে আমার চাচার জমি ক্রয় করি এবং ঢাকায় চাকরিরত অবস্থায় চাচাতো ভাইবোনদের নিকট জমির মূল্য পরিশোধ করে আমার ভাইকে বাড়িতে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে আমার নামে জমিটি রেজিষ্ট্রেশন করতে বলি। কিন্তু রেজিষ্ট্রির দায়িত্বে থাকা আমার ভাই আমার সাথে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করে তিনবিঘা জমির দুই বিঘা তার পক্ষের তার স্ত্রী এবং ছোট বোনের নামে দলিল করিয়ে নেয়। এই ঘটনা আমরা জানতে পারি প্রায় ৫/৬ বছর পরে আমার মা মারা যাবার সময়ে, আর তখনই সামনে আসে পিতার সকল জমি আমার ভাইয়ের নামে রেকর্ড এর বিষয়টি। ইতিমধ্যে ২০১২/১৩ সনের দিকে আমি আমাদের পুরাতন মেরামত করা জীর্ন ঘরটি ভেঙে একটি নতুন টিনশেড পাঁকা ঘর নির্মাণ করি এবং একত্রে বসবাস করতে থাকি। আমার পিতার সংসারে আমার সংসারই ছিল। পিতা মারা যাওয়ার পরে আমিই ছিলাম সংসারের একমাত্র গার্জিয়ান। এই সংসারে আমার সংগ্রাম লড়াই কষ্ট ত্যাগ তিথা সার্বিক অবদানের কথা আমার পিতৃকুল-মাতৃকুলের সকল আত্মীয়সজন সহ আমার আমার গ্রামবাসী তথা পুরা উপজেলার মানুষ অবগত আছে। ছেলে ঢাকায় চাকরি হয়। ২০১৯ সালের শেষের দিকে করোনার মধ্যে আমার ছেলে বাড়িতে এলে, কিছুদিন পরে সে আমার ছেলেকে রুম ছেড়ে দিতে বলে। তার এমন অযৌক্তিক গায়ের জোরের কথা শুনে আমি হতবিহ্বল ও হতবাক হয়ে যাই। আমি বলি আমার ঘরে তোদেরকে আমি রাখছি, উলটা তোরা আমার ছেলেকে রুম ছেড়ে দিতে বলিস! তখন তার বউ এবং তার ছেলে আমার ছেলের রুম থেকে সবকিছু বাইরে ফেলে দেয়। এমন অবস্থায় আমি পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তাদের জবরদখল পূনোরুদ্ধার করি। এর পরে আমি আমার ক্রয়-জমি ফেরত চাইলে এবং পিতার জমির হিসাব বুঝে পেতে চাইলে আমার ভাই ঠিক করে দিচ্ছি, দিবো করতে করতে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। আর সে সময় সে যে, ইতিপূর্বে সরকারি দলের সঙ্গে মিশে একটি শক্তিশালী ফ্যাসিস্ট চক্র গড়ে তুলেছিল , যাদের মূল কাজ ছিল শালিসের নামে ভিকটিমকে ঠকানো এবং অন্যায় কারীর কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা ভোগ করা। সেই এই চক্রের প্রধান হিসাবে এলাকার গডফাদার হিসাবে আবির্ভূত হয়। এবং আমার ও আমার পরিবার এর উপর তার প্রভাবমুলক নির্যাতন অব্যাহত রাখে। তার এই সরকার দলীয় প্রভাব খাটানোর পূর্বের একটি ঘটনা হয়তো আপনারা জানেন। ২০১৩/১৪ বা ২০১৫ সালের দিকে সে এই চক্রের সহায়তা নিয়ে স্থানীয় থানা বিএনপির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে একটি শালিশের মাধ্যমে নাজেহাল করে এবং এক পুলিশকে দিয়ে তার হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে ভ্যানে উঠিয়ে থানায় নিয়ে যেতে উদ্যত হয় ও প্রচেষ্টারত থাকে। তখিন বিষয়টি স্থানীয় সকলেই অবগত ছিল। ভদ্রলোক ভালোমানুষ হিসাবে খ্যাতো সিদ্দিকুর রহমানকে এই চরম অপমানের বিষয়টি মানুষের মনে দাগ কাটে। বিগত প্রায় ২২ বছর ফখরুদ্দীন মঈনুদ্দিন আমল থেকেই সকল দলের সরকারের ছাতার নিচে অবস্থান করে প্রশাসন যন্ত্র অপব্যবহার করে এলাকার গডফাদার বনে যায়। মানুষ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলে না। বিগত প্রায় চার পাঁচ মাস আগে আমার ছেলে আলাদা বাড়ি বানাতে চাইলে সে আমার পিতৃ সম্পত্তি জবরদখল করে আমার ছেলেকে রাস্তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আমার ছেলে আমার পিতার জমিতে রাস্তা করতে না পেরে ঝামেলা এড়ানোর জন্য বাধ্য হয়ে রেল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে রেলের খাদ দিয়ে পরিষ্কার করে রাবিশ ফেলে রাস্তা বানাতে উদ্যোগ নিলে, দুপুরের ঠিক আগে আমার ছেলেকে সে, এবং তার বউ বাধা দেয় ও কাঁটাযুক্ত ডাল দিয়ে প্রহার করে এবং আমার পূত্রবধুকে গ্রামের অন্য এক দূষ্ট মহিলার সহায়তায় আহত করে। আমার পুত্র ও পুত্রবধূ ডাক্তার হসপিটালের ডাক্তার দেখিয়ে থানায় অভিযোগ করে এলে, এই সময়ে তারা আমার ছেলে নাকি তার বউয়ের এবং গ্রামের সেই মহিলার গায়ে হাত তুলেছে এরকম একটি কথা রটিয়ে দিয়ে মব সৃষ্টির পায়তারা করে। তাদের গায়ে কোথাও বিন্দুমাত্র কোনো আঁচড়টুকুও আমার ছেলে দেয়নি। গ্রামের লোক ও বাড়ির অন্যান্য শরিকগন সকল কিছু অবগত ছিল বিধায় তারা তাদের এই অপ প্রচেষ্টায় সাড়া দেয়নি। আমার ভাই গ্রামের গুন্ডাদেরকে ৫০ হাজার টাকায় ভাড়া করে ২০ হাজার টাকা অগ্রীম পরিশোধ করে আমার ছেলেকে হত্যা করার জন্য এবং আমার পুত্রবধু ও ১০ বছর বয়সী শিশু নাতিকে ধর্ষণ করে আমার ঘরভিটা থেকে আমাদের উচ্ছেদ করার জন্য। ও-ই দিনই ১৪ মার্চ সন্ধায় ইফতার এর পরপরই আমার ভাই তার ছেলে, তার বউ ও তার ভাড়া করা গুন্ডাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে থানায় গিয়ে বসে থাকে আর সে বের হবার দশ মিনিটের মধ্যে আমার পরিবারে উপর শুরু হয় নারকীয় তান্ডব। তার ছেলে ও তার বউয়ের নেতৃত্বে ও তাদের সহায়তায় দরজা খুলে ঘরে ঢুকে একদল গুন্ডা মাত্র ইফতার শেষ করা আমার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে লোহার রড হাতুড়ি লোহার পাইপ দিয়ে নির্মমভাবে আঘাতের পরে আঘাত করতে থাকে। আমার ছেলে ও আমার পোতা ছেলেকে প্রান বাঁচানোর জন্য আমার ছেলে ও আমার পোতা ঘর থেকে বের হয়ে গেলে। তারা একদল আমার ছেলের পিছু নেয় এবং প্রথমে উঠানে, পরে বাগানে ও পরে অন্য বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে আমার ছেলে ও পোতাকে কুপিয়ে জখম করে হত্যা প্রচেষ্টা চালায়। প্রথম কোপটি আমার ভাইয়ের ছেলে ও ভাইবউ-ই দেয়। আমার পুত্রবধূ ঘরের দরজা লাগিয়ে দিলে অন্যদলটি আমার ঘরের দরজা ভেঙে আমার পুত্রবধূ এবং আমার নাতিকে ধর্ষণ করতে চেষ্টা চালায়। এইসময়ে আমাদের ঘরের ভিতরে তারা ল্যুটপাঠ চালায়। একদিকে ভারী হ্যামার দিয়ে দরজা ভাঙার ভয়ঙ্কর শব্দ, নারী শিশুদের আর্তচিৎকার, আর্তনাদ, সে এক নরক গুলজার, বিভিষিকাময় পরিস্থিতি। সে ঘটনার ভাষায় বিবরণ সম্ভব নয়। থানায় মামলা করতে গেলে কোনো এক অদৃশ্য শক্তির চাপে প্রকৃত অপরাধীর নাম আড়াল রেখেই এজাহার দায়ের করতে হয়, কেননা তখন আমরা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ও ভীতগ্রস্থ ছিলাম। স্থানীয় থানা বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা যারা বিগত সময়ে সতেরো বছর পদ পদবী ছাড়াই সরাসরি আওয়ামী সরকারের রাজনীতিতে এবং স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেছে, এইকাজে মানে মামলা যেন না হয় বা হলেও মিজান মিয়ার নাম যেন বাদ দেয়া হয়, এ-ব্যাপারে তারা পুলিশের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম ও আসামি গ্রেফতারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তবে ফরিদপুর জেলা পুলিশ এর পুলিশ সুপার মহোদয় বিষয়টি অবগত হয় এগিয়ে আসেন এবং দোষীদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। দুইজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে। মুল আসামিগন বাহিরে থেকে ও কেউ কেউ জামিন নিয়ে এসে আমাদেরকে মামলা প্রত্যাহার ও প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে। এমতো অবস্থায় আমাদের জীবন নিরাপত্তাহীন ও অনিশ্চিত। আমার ছেলে বহুদিন মারাত্মক জখমরত অবস্থায় হসপিটালে থাকার কারনে আমরা বাড়িতে ফিরে এসে দেখি আমার ঘর তালাবদ্ধ। তারা আমাদেরকে ঘরে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুলিশে অভিযোগ করলে পুলিশ গিয়ে আমাদের তালা খুলে দিতে এসে, স্থানীয় জৈনেক সঞ্জয় সাহার ফোন পেয়ে পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা তার উর্ধতন অফিসার এর সঙ্গে ফোনে কথা বলে উল্টো আমাদেরকেই আমাদের প্রয়োজনীয় কাপড় চোপড় ও জিনিসপত্র নিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে আদালতের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে আমারই ঘর ছেড়ে আমাদেরকেই বের হয়ে যেতে বলেন। আমরা এখনো ঘরে ঢুকতে পারছি না, আমার পরিবার এর শিশু সদস্যদের নিয়ে আমরা পাঁচজন এর-বাসা ওর বাসায় থেকে গৃহছাড়া হয়ে মানবেতর ও জীবন যাপন করছি। এসপি স্যারের দিকনির্দেশনায় এই মামলায় আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রথম দিকেই আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের উপর অমানবিক অন্যায়ভাবে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে এবং আমার কষ্টের রোজগারের টাকায় করা আমাদের গৃহ থেকে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, বিএনপির দলীয় পদ এর অপব্যবহার করে এবং সরকারি প্রশাসন যন্ত্রের অপব্যাবহার করে যারা আমাদের উপর এই পৈশাচিক তান্ডব চালিয়েছে, হত্যা প্রচেষ্টা চালিয়েছে এবং আমাদের গৃহ থেকে আমাদের উচ্ছেদ করেছে, আপনাদের মাধ্যমে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট বিনীত আবেদনের সহিত এর সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি, এবং দলীয় পদের অপব্যবহার কারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য বিনীত আবেদন করছি।