1. boalmari@gmail.com : Korban Ali : Korban Ali
  2. boalmaribartabd@gmail.com : administrator : Hasan Mahmud Milu
  3. boalmaribarta@gmail.com : Kurban Ali : Kurban Ali
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
Title :
বোয়ালমারীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বোয়ালমারীতে আত্মীয় বাড়িতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার যুবক আটক ৪ বোয়ালমারীতে প্রাইভেট কার থেকে লাশ ফেলার চেষ্টা, আটক ২ জন বাবা গণপিটুনিতে নিহত, এতিম মুসলিমার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী এনসিপির আহবায়ক পদ ফেরত পেলেন হাসিবুর রহমান অপু ঠাকুর নানা অভিযোগ মাথায় নিয়ে বিদায় নিলেন বোয়ালমারী আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রিনা খাতুন বোয়ালমারীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা বারাশিয়ার আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থি সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বোয়ালমারীতে আত্মীয় বাড়িতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার যুবক আটক ৪

  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৯ Time View

বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে প্রতিবেশীর জামাই বাড়ি দ্বন্দ্ব মিটাতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার হয়েছে এক যুবক। হত্যার শিকার হওয়া যুবকের নাম রবিউল ইসলাম শেখ (৩৮)। সে পার্শ্ববর্তী মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের সারোয়ার শেখের ছেলে। ৫ মে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৮ টার দিকে উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটখোলারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার দিঘা ইউনিয়নের সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা শাহিদুল মোল্লা শহিদের মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা ময়না ইউনিয়নের হাটখোলার চর গ্রামের হানিফ শেখের ছেলে সহিদুল শেখের সাথে। একপর্যায়ে তারা দুই জনে পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেন। কিছুদিন আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় সহিদুলের স্ত্রী বাবার বাড়িতে অবস্থান করেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার পারিবারিক ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করলেও সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
পুলিশ জানায়, তাদের মধ্যে বিরোধের আগে সহিদুল শেখ তার শ্যালকের একটি মোটরসাইকেল এনে অন্যত্র বন্ধক রাখে। মেয়ের সাথে বনিবনা না হওয়ায় মোটরসাইকেলটি ফেরত চায় শ্বশুর শহিদ মোল্যা। মঙ্গলবার দুপুরে সেই মোটরসাইকেল নিতে মেয়ে জামাই বাড়িতে আসে শহিদ মোল্লা ও তার প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম। মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়া নিয়ে টালবাহানা শুরু করলে বিষয়টি নিয়ে জামাই সহিদুলের পরিবারের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন রবিউল। এক পর্যায়ে মোটরসাইকেল না নিয়েই ফিরে যান তারা। এ সময় পথিমধ্যে তাদের ফোন করে মোটরসাইকেল দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। সরলমনে দু’জন ফের মেয়েজামাই বাড়ি ফিরে এলে বাবু নামের এক স্থানীয় গ্রাম্য মাতুব্বর শ্বশুর শহিদ মোল্লাকে বাড়িতে বসিয়ে রেখে কথা বলতে থাকেন। এসময় কৌশলে রবিউল ইসলামকে পাশে কোথাও ডেকে নিয়ে যান সহিদুল শেখ। শ্বশুর শহিদ মোল্লাকে বাড়িতে বসিয়ে রেখে এ কথা ও কথা বলে সময় ক্ষেপণ করে মাতুব্বর বাবু শেখ। সন্ধ্যার পর সহিদুল শেখ মোবাইলে শ্বশুরকে জানান -আপনি চলে যান, কাল সকালে মোটরসাইকেল বাড়িতে পৌঁছে দিবো। এসময় সাথে আসা রবিউলের মোবাইলে কল করে কোন সাড়া না পেয়ে সাইদ মোল্লা বাড়িতে চলে যান।
এদিকে সন্ধ্যার পরে বোয়ালমারীর সাতৈর-মহম্মদপুর সড়কের হাটখোলারচর বটতলা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার দুর্ঘটনাকবলিত হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করতে গেলে পাশেই একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে নিহত ব্যক্তির পকেটে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে স্বজনদের নিহতের খবর জানানো হয়। এসময় স্থানীয়দের ধারণা সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। প্রাইভেটকারে থাকা পাঁচ যুবকের মধ্যে তিনজন ভয়ে পালিয়ে যায় এবং শাহাজাদা (২৩) ও তপু সাহা (২২) নামে দুইজনকে স্থানীয়রা সন্দেহমূলক আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
নিহতের চাচা জিল্লুর রহমান বলেন, দুপুর একটার দিকে শহিদ মোল্লা আমার ভাতিজাকে নিয়ে তার জামাই বাড়িতে আসে। আমরা রাত ৮ টার পরে জানতে পারি আমার ভাতিজা খুন হয়েছে। এটা পরিকল্পিত খুন বলে ধারণা করছি।
নিহত রবিউলের বাবা গোলাম সরোয়ার বলেন, শহিদ মোল্লা আমার ছেলেকে তার বিয়াই বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে তাকে হত্যা করা হয়। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।
বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান বলেন, সহিদুল তার শ্বশুর বাড়ির একটি মোটরসাইকেল আটকে রাখে। মোটরসাইকেলটি নেওয়ার জন্য সহিদুলের শ্বশুর শাহিদ মোল্লা রবিউলকে সাথে নিয়ে আসে। প্রথমে মোটরসাইকেলটি দিতে চায়নি। একপর্যায়ে তারা বাড়ির দিক চলে গেলে সহিদুল তাদের ফোন করে আবার নিয়ে আসে। আসার পরে শালিস মিমাংসা হয়েছে। এসময় রবিউল বাড়ির বাইরে রাস্তার দিকে ছিল। পরবর্তীতে আধাঘন্টা পরে সহিদুলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
তিনি আরও বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে দ্বিতীয়বার ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে। যাদের মোটরসাইকেল নিতে আসছিল তারাই এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। তবে প্রাইভেটকারটি ওখানে কী ভাবে এসে পড়লো? কাকতালীয়ভাবে? প্রাইভেটকারে থাকা কেউ আহত হলো না! এগুলো নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন না হওয়া পর্যন্ত তারা পুলিশ অথবা আদালতের মাধ্যমে আমাদের হেফাজতে থাকবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Design & Development by : JM IT SOLUTION