
বোয়ালমারীতে পরীক্ষার্থী ২৮৩৮ প্রথমদিনে অনুপস্থিত ৩৯ দায়িত্ব অবহেলায় ৬ কক্ষ পরিদর্শককে অব্যাহতি
স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষা দিচ্ছে ২৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী। প্রথম দিনে অনুপস্থিত রয়েছে ৩৯ জন। পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. রকিবুল হাসান। কাদিরদী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিত কুমার দাস, হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন ভীমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোহাম্মদ আফজাল হোসেন। জর্জ একাডেমী কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম, হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন মধুবর্ণী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. নাজমুল হোসেন, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কাজী দেলোয়ার হোসেন। বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সচিব রয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুকান্ত মন্ডল, হল সুপারের দায়িত্বে রয়েছে সাতৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী চৌধুরী, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নিরাপদ দাস। সহস্রাইল পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব রয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসরাফিল মোল্যা, হল সুপারের দায়িত্বে রয়েছেন রুপাপাত বামনচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজাহান মোল্যা, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা প. প. কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন। কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ছোলনা সালামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আ. সালাম মিয়া, হল সুপারের দায়িত্বে রয়েছেন হাটখোলারচর মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আয়েশা খাতুন। শাহ জাফর টেকনিক্যাল কলেজ এন্ড বিএম ইন্সটিটিউট কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত হোসেন, হল সুপারের দায়িত্ব পালন করছেন মাহাবুবুর রহমান পল্লব, ট্যাগ অফিসার রয়েছেন উপজেলা আইসিটি অফিসার মেহেদী হাসান। প্রথম দিনে ৬ জন পরীক্ষককে দায়িত্ব অবহেলার কারণে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।