1. boalmari@gmail.com : Korban Ali : Korban Ali
  2. boalmaribartabd@gmail.com : administrator : Hasan Mahmud Milu
  3. boalmaribarta@gmail.com : Kurban Ali : Kurban Ali
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
Title :
বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর বোয়ালমারীতে গোরস্থানের বাঁশ চুরি ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলন বোয়ালমারীতে পাট বীজ চাষীদের প্রশিক্ষণ ভাটপাড়ায় যুবকের লাশ উদ্ধার বোয়ালমারীতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন ” কবি সখিনা হোসেন: জীবন ও কর্ম” শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত লন্ডনের কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন বোয়ালমারীর কৃতি সন্তান এম.এম. শামসুল আজম খাল খননের আড়ালে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন গর্বের অর্জন • পরিবারের স্বপ্নপূরণ • এলাকার অহংকার বোয়ালমারীতে হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে মুসলিম মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা

বোয়ালমারীতে পিতার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি চান এক গণমাধ্যমকর্মী

  • Update Time : শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪৭৭ Time View

হাসান মাহমুদ মিলু : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক গণমাধ্যমকর্মী তার পিতার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় সরকারি কলেজ রোডে অবস্থিত একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নিজের পিতাকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের গুনবহা গ্রামের বাসিন্দা এবং বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী হাসান ফিরোজ।
লিখিত বক্তব্যে কাজী ফিরোজ উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে আমার পিতা কাজী মুজিবুর রহমানের নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করি। যাচাই-বাছাইকালে যাচাই-বাছাই কমিটির সকলে একযোগে মৌখিকভাবে তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য দেন। তাঁর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় না থাকায় তাঁরা দু:খ প্রকাশ করেন। অথচ অজ্ঞাত কারণে বিভক্তি তালিকায় তার নাম আসে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে আপিল করা হয়। অজ্ঞাত কারণে পুন:মূল্যায়নে যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর নাম নেই। ইতোমধ্যে দুইবার মূল্যায়নের জন্য আপিলকারীগণ চিঠি পেলেও আমার পরিবার কোন চিঠি পায় নাই।’
কাজী ফিরোজ আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমার পিতা কাজী মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে বোয়ালমারী থানার একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যুবকদের সংগঠিত করা এবং তাদেরকে ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর ব্যাপারে তাঁর ছিল অনন্য ভূমিকা। কাজী মুজিবুর রহমান সম্মুখ যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন। বোয়ালমারী থানা আক্রমণ করার তিনি ছিলেন অগ্রগামী সৈনিক। থানা পুলিশের নিকট থেকে তিনি একটা থ্রি নট থ্রি রাইফেল ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি ‍মুজুরদিয়া এবং কামারখালি ঘাটের যুদ্ধে যুদ্ধকালীন কমাণ্ডার আলাউদ্দীন মিয়ার সহযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর সহযোদ্ধা, তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের যারা নেতৃত্ব দিতেন, তাঁদের মধ্যে যারা জীবিত আছেন তাঁরা সবাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে তাঁর ভূমিকার সাক্ষ্য দিতে পারবেন।’
পরিশেষে কাজী হাসান ফিরোজ বলেন, ‘আমার পিতার মুক্তিযুদ্ধের কোন সম্মানী নয়, শুধু মরহুম পিতা কাজী মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি চাই।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Design & Development by : JM IT SOLUTION